Server sync... Block time in database: 1615391772, server time: 1664407358, offset: 49015586

Steem bangladesh contest || Technology || 1st March 2022 Eng.


হেলো বন্ধুরা আশা করি সকলেই ভাল আছেন,আমিও ভাল আছি। আমি স্টিম বাংলাদেশ আয়োজিত টেকনোলজি কনটেস্টে অংশগ্রহণ করতেছি।আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।


আলোচনার বিষয়


ব্লকচেইন প্রযুক্তি



blockchain-3438501_640.jpg

ব্লকচেইন প্রযুক্তি

Source



আমরা সবাই বিটকয়েনের নাম শুনেছি বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি অর্থাৎ ডিজিটাল টাকা এ টাকার কোন অস্তিত্ব নেই বিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সি আসলে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ভিত্তি করে তৈরি। আমি আজকে ব্লকচেইন টেকনোলজি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

bitcoin-4294492_640.png

বিট কয়েন

Source



ব্লকচেইন কি?



হাজার হাজার এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার সংযোগের মাধ্যমে যেমন ইন্টারনেট উদ্ভাবিত হয়েছিল ঠিক তেমনভাবে ডাটা ব্লকের একটি দীর্ঘ শৃঙ্খলকে চেইন দেওয়া হয়েছে ব্লকচেইন শব্দ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত প্রথমটি হচ্ছে ব্লক দ্বিতীয়টি হচ্ছে চেইন। ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে অনেক ডাটা ব্লক থাকে এই সমস্ত ডেটা ব্লকে ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এন কোড করা হয় ডাটা। এই ব্লকগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি ব্লকচেইন তৈরি করে।
প্রতিটি ব্লকে রয়েছে তার ঠিক আগের ব্লকের একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ একটি টাইমস ট্রাম্প এবং লেনদেনের তথ্য এবং এভাবে প্রতিটি ব্লকের সাথে সম্পর্কিত ডাটা তার পাশের ব্লকে সংরক্ষিত থাকে সুতরাং একবার ব্লকে এ ডাটা রেকর্ড হয়ে গেলে এই ডেটার মুছে ফেলা যাবে না।



ব্লকচেইন প্রযুক্তি?



hexagon-6574882_640.webp

ব্লকচেইন প্রযুক্তি

Source

ব্লকচেইন টেকনোলজি অনেক পুরনো একটি প্রযুক্তি এই কৌশলটি প্রথম 1991 সালে স্টুয়ার্ড আবার এবং এসকট এস্টোনেটা এটা ব্যাখ্যা করেছিলেন ব্লকচেইন প্রযুক্তি এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তাই ডিজিটাল ডকুমেন্টস যাতে কেউ এদিকে টেম্পার বা পরিবর্তন করতে না পারে 2008 সালে একজন রহস্যময় জাপানি ব্যক্তি নাকামোতা প্রযুক্তির ব্যবহার আবিষ্কার করেছেন এবং তার থেকে অনেক বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে যায়।



ব্লকচাইন প্রযুক্তির ইতিহাস



ব্লকচেইন কে ভবিষ্যতের অর্থনীতির জন্য একটি বিপ্লবী প্রযুক্তির সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে এতে প্রযুক্তির উৎপত্তি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না এটা বিশ্বাস করা হয়েছে এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি 2008 সালে বিটকয়েন আবিষ্কারের পর এই ক্রিপ্টো মুদ্রা কে সমর্থন করার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছিল এটি এমন একটি আধুনিক প্রযুক্তির তাছাড়া বিটকয়েন বা অন্য কোন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন করা যায় না।



ব্লকচেইন প্রযুক্তি যেভাবে কাজ করে



bitcoin-3732876_640.webp

বিট কয়েন

Source

ব্লক চেইেন অনেক ব্লক থাকে এবং এই ব্লকগুলি আগের ব্লকের হ্যাশ টাইমস স্টাম্প এবং লেনদেনের ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এরপরে ব্লক এবং নোড গুলিকে সার্ভারে সংরক্ষণ করা হয় এখন একটি ব্লকচেইন সমস্ত একে অপরের সাথে সংযুক্ত এবং তারা ক্রমাগত একে অপরের সাথে নতুন নোড আদান-প্রদান করে যার ফলে সমস্ত সর্বশেষ তথ্য গুলি দারা সবসময় আপ টু ডেট থাকে।

ব্লকচেইন মূলত একটি p2p বাপ পেয়ার পেয়ার নেটওয়ার্ক গঠন করে যার ফলে ব্লকচেইন এর প্রতিটি ব্লকের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে যে কোন ব্যক্তি ভেরিফাই করতে পারে যখন কোন নতুন ব্যক্তি এই ব্লক চেইন নেটওয়ার্কে জয়েন করে তখন সে সামনের এবং পূর্বের সব ব্লগ গুলোর একটি কপি পেয়ে যায় এবং সেই কফি থেকে প্রতিটি ব্লকে ভেরিফাই করে এবং কনফার্ম করে যে ব্লক চেনে থাকা সব ডাটা এখনো সঠিক রয়েছে ব্লকচেইন এর ব্লক গুলোকে যত বেশি বার ভেরিফাই করা হয় এটা গুলো ততই বেশি অপরিবর্তনীয় হয়ে ওঠে মূলত এভাবেই ব্লকচেইন প্রযুক্তি এগিয়ে যেতে থাকে আমরা প্রায় সবাই জানি যে বিটকয়েনের ট্রানজেকশন গুলো ব্লকচেইন প্রযুক্তি করা হয়ে থাকে তাহলে চলুন উদাহরণের মাধ্যমে দেখা যাক এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি কিভাবে কাজ করে।

আপনার কাছে 10 বিটকয়েন রয়েছে এবং আপনি সেখান থেকে ছয় বিটকয়েন আমার কাছে পাঠাতে চাচ্ছেন সে ক্ষেত্রেই বিটকয়েন অ্যামাউন্ট আমার বিটকয়েন ওয়ালেট থেকে আমারও একটি তখনই ট্রানস্ফার হবে যখন আপনি আমার বিটিসি ওয়ালেট অ্যাড্রেস রিকুয়েস্ট সেন্ড করবেন এবং বিটকয়েন সেন্ড করার সাথে সাথে এই লেনদেনটি সমস্ত ডিটেইলস নিয়ে ব্লক চেন কি নতুন ব্লগ ক্রিয়েট হবে এই লোকটির ভেতরে ডাটা হিসেবে থাকবে সেভার মানে আপনার বিটকয়েন ওয়ালেট এড্রেস রিসিভার অর্থাৎ আমার বিটকয়েনের ওয়ালেট এবং আপনি যে পরিমাণ সেন্ড করেছেন তার অ্যামাউন্ট। এবার ক্রিয়েট হয়েই নতুন ব্লকটি ব্লক চ্যানেল সংযুক্ত থাকো সবার সামনে আসবে ভেরিফাই করার জন্য সবাই যখন ব্লক থেকে ভেরিফাই করে কনফার্ম করবেন যে সবকিছু সঠিক আছে তখন এই লেনদেনের রেকর্ডটি ব্লকচেইন স্থায়ী ভাবে সংরক্ষন হয়ে যাবে এবং ট্রানজেকশন সম্পন্ন হবে বিটকয়েন এর ক্ষেত্রে এই ভেরিফিকেশনের কাজটি যারা করে থাকে তাদেরকে বিটকয়েন মাইনর বলা হয় আর এই ট্রানজেকশন কমপ্লিট করার জন্য আপনাকে যে পরিমাণ অর্থ ফি হিসেবে দিতে হবে তার বেশির ভাগ পাবে বিটকয়েন মাইনার রা বিভিন্ন হার্ডওয়ার ইউজ করে তারা বিটকয়েন মাইনিং এর কাজ সম্পন্ন করেছেন এবার নিচে কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন যে ব্লকচেইন মূলত কিভাবে কাজ করে এবং বিটকয়েন মাইনিং করার কারণে কেনইবা মাইনার রা বিট কয়েন অর্জন করতে পারে।

cryptocurrency-5674685_640.png

ক্রিপ্টোকারেন্সি

Source



ব্লকচেইন প্রযুক্তির অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে ।যেমন:



*ব্লকচেইন প্রযুক্তি এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো । এখানে ব্যবহারকারীর পরিচয় গোপন থাকায় এবং প্রতিনিয়ত ইনফরমেশন গুলো আপডেট হওয়ায় এখানে তথ্য চুরি হওয়া অথবা দুর্নীতি হয় একেবারেই অসম্ভব ।

*যখন ব্লকে ডাটা রেকর্ড করা হয় আর পূর্বে একবার ব্লক চেইনের লেনদেন যাচাই করা হয় এই সিস্টেমে ডাটা মুছে ফেলা যায় না যার ফলে এটা সততা বজায় থাকে এবং একই সাথে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকা সমস্ত নোডগুলি সবসময় আপডেট রাখা হয়।

*ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে তৃতীয় পক্ষের কোনো প্রয়োজন হয় না যে কোন জায়গা থেকে যে কোন সময় লেনদেন করা যায় বর্তমান যুগে ব্যাংকিং লেনদেনের থেকে অনেক সহজ।

blockchain-4129138_640.jpg

ব্লকচেইন

Source



ভবিষ্যতে যে সেক্টর গুলিতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে:

*ব্যাংকিং এবং বীমা সেক্টর।

*সাইবার নিরাপত্তা ।

*স্বাস্থ্য।

*তথ্যপ্রযুক্তি ।

*শিক্ষা।

*ডাটা স্টরেজ এবং ডাটা ট্রান্সফার ।

*সরকারি পরিকল্পনা ।

*গোয়েন্দা ব্যুরো।

আমি@avibauza @maulidar এই দু'জনকে এই কনটেন্টটিতে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

ধন্যবাদ সবাইকে


Comments 7